নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একই প্রাঙ্গণে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে মসজিদ ও মন্দির। মসজিদে আজান ও নামাজ চলে, আর মন্দিরে হয় পূজা-অর্চনা। ধর্মীয় আচার পালনের সময় একে ওপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে ১৪৩ বছর ধরে সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ে তুলেছে দুই ধর্মের মানুষ।
উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ইউসুফগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদ ও শ্রী শ্রী সাধুবাবা সম্ভুনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম। স্থানীয় ইতিহাস অনুযায়ী, ১৮৮৩ সালে একই আঙিনায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দুটির যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ এই সময়ে প্রতিষ্ঠান দুটিকে ঘিরে কোনো বিরোধ, তিক্ততা কিংবা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ হোসেন মোল্লা বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদে নামাজ আদায় করছেন। এ সময়ে পূজা ও নামাজ নিয়ে কোনো বিরোধ হতে দেখেননি। দুই উপাসনালয়ের আলাদা পরিচালনা কমিটি রয়েছে। তারা নিজ নিজ ধর্মীয় কার্যক্রমের সময় সমন্বয় করেন। এর মধ্য দিয়ে দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে গভীর সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি হয়েছে।
মসজিদের ইমাম সাঈদুল ইসলাম বলেন, একই প্রাঙ্গণে বহু বছর ধরে নামাজ ও পূজা-অর্চনা পাশাপাশি হয়ে আসছে। কখনো কোনো বিভেদ সৃষ্টি হয়নি। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নামাজের সময় সহযোগিতা করেন, আবার পূজার সময় মুসলমানরাও পাশে থাকেন। এভাবে দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে গভীর ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে উঠেছে।
আশ্রম পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজয় দাশ হরি বলেন, আজান ও নামাজের সময় শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতা পালন এবং ধর্মীয় উৎসবে একে ওপরের পাশে দাঁড়ানোর সংস্কৃতিই তাদের ঐক্যের মূল ভিত্তি। নামাজের সময় তারা পূজা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো বন্ধ রাখেন। একইভাবে মুসল্লিরাও পূজার সময় সহযোগিতা করেন।
আশ্রম পরিচালনা কমিটির সভাপতি শম্ভুনাথ দত্ত নাথ বলেন, সবাই নিজ নিজ ধর্ম পালন করেন। তাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। পূজার সময় অনুষ্ঠান হলেও অন্যদের ইবাদতের সময় সব ধরনের আয়োজন বন্ধ রাখা হয়।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এখানে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মসজিদ ও মন্দিরের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সোনারগাঁয়ের সব পূজামণ্ডপে তিন স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
দীর্ঘ ১৪৩ বছরের এই সহাবস্থান প্রমাণ করে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে ভিন্ন ধর্মের মানুষও মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন। ইউসুফগঞ্জের এই ঐতিহ্য তাই স্থানীয় মানুষের কাছে শুধু ধর্মীয় সহাবস্থানের উদাহরণ নয়, বরং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিরও এক অনন্য নিদর্শন।
উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ইউসুফগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদ ও শ্রী শ্রী সাধুবাবা সম্ভুনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম। স্থানীয় ইতিহাস অনুযায়ী, ১৮৮৩ সালে একই আঙিনায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দুটির যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ এই সময়ে প্রতিষ্ঠান দুটিকে ঘিরে কোনো বিরোধ, তিক্ততা কিংবা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ হোসেন মোল্লা বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদে নামাজ আদায় করছেন। এ সময়ে পূজা ও নামাজ নিয়ে কোনো বিরোধ হতে দেখেননি। দুই উপাসনালয়ের আলাদা পরিচালনা কমিটি রয়েছে। তারা নিজ নিজ ধর্মীয় কার্যক্রমের সময় সমন্বয় করেন। এর মধ্য দিয়ে দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে গভীর সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি হয়েছে।
মসজিদের ইমাম সাঈদুল ইসলাম বলেন, একই প্রাঙ্গণে বহু বছর ধরে নামাজ ও পূজা-অর্চনা পাশাপাশি হয়ে আসছে। কখনো কোনো বিভেদ সৃষ্টি হয়নি। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নামাজের সময় সহযোগিতা করেন, আবার পূজার সময় মুসলমানরাও পাশে থাকেন। এভাবে দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে গভীর ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে উঠেছে।
আশ্রম পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজয় দাশ হরি বলেন, আজান ও নামাজের সময় শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতা পালন এবং ধর্মীয় উৎসবে একে ওপরের পাশে দাঁড়ানোর সংস্কৃতিই তাদের ঐক্যের মূল ভিত্তি। নামাজের সময় তারা পূজা ও বাদ্যযন্ত্র বাজানো বন্ধ রাখেন। একইভাবে মুসল্লিরাও পূজার সময় সহযোগিতা করেন।
আশ্রম পরিচালনা কমিটির সভাপতি শম্ভুনাথ দত্ত নাথ বলেন, সবাই নিজ নিজ ধর্ম পালন করেন। তাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। পূজার সময় অনুষ্ঠান হলেও অন্যদের ইবাদতের সময় সব ধরনের আয়োজন বন্ধ রাখা হয়।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এখানে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মসজিদ ও মন্দিরের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সোনারগাঁয়ের সব পূজামণ্ডপে তিন স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
দীর্ঘ ১৪৩ বছরের এই সহাবস্থান প্রমাণ করে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে ভিন্ন ধর্মের মানুষও মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন। ইউসুফগঞ্জের এই ঐতিহ্য তাই স্থানীয় মানুষের কাছে শুধু ধর্মীয় সহাবস্থানের উদাহরণ নয়, বরং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিরও এক অনন্য নিদর্শন।
অনলাইন ডেস্ক